আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ২৯ জানু ২০২৫ ০৭:৩২ পি.এম
কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, অধিকাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ডেনমার্ক ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। কিন্তু জনমত সমীক্ষা বলছে বাস্তবতা ঠিক এর উল্টো।
সমীক্ষা সংস্থা পোলস্টার ভেরিয়ান সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে একটি জনমত সমীক্ষা চালিয়েছে। ডেনমার্কের একটি পত্রিকার অনুরোধে তারা এই সমীক্ষা চালায়। সেখানে গ্রিনল্যান্ডের মানুষদের প্রশ্ন করা হয়, তারা ডেনমার্কের অংশ হয়েই থাকতে চান, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান না। তারা যেমন আছেন, তেমনই থাকতে চান। ছয় শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। আর নয় শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করবে; কারণ, ওই অঞ্চলটি মার্কিন ভূখণ্ডের অংশ। যদিও গ্রিনল্যান্ড এখন ডেনমার্কের অংশ। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডেনমার্কের সরকার এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে। গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় সরকারও এর কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ট্রাম্প প্রথমে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের অংশ হওয়া উচিত। এরপর তিনি দাবি করে বসেন, গ্রিনল্যান্ডের ৫৭ হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। খবর নিয়েই তিনি একথা বলছেন। কিন্তু ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের মানুষের জনমত সমীক্ষার তথ্য মিলছে না।
২০০৯ সালে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসনের চরম ক্ষমতা দেওয়া হয়। বলা হয়, গণভোটের মাধ্যমে তারা স্বাধীনতার কথাও ভাবতে পারে। অর্থাৎ, ডেনমার্কের থেকে তারা আলাদাও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু গত ১৬ বছরে সে কাজ তারা করেনি। কারণ, ডেনমার্কের ছত্রছায়াতে থাকলেও কার্যত স্বাধীনভাবে সরকার চালায় গ্রিনল্যান্ডের প্রশাসন।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। এখানাকার বাসিন্দারাই ঠিক করবেন, তারা কী চান।
অন্যদিকে ডেনমার্ক জানিয়েছে, তারা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করবে। গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষার জন্য এই কাজ করা হবে। অবশ্য স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলটিতে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
ইরান যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায়, ট্রাম্প প্রকাশ্যে বারবার যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করেছেন
মালিতে ভ্রমণ এখনও কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দাবানল এখন একটি ‘বিপজ্জনক’ - গবেষণা
ইরানের একটি গানবোট লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে
ইসলামী প্রজাতন্ত্রটি অর্থ কষ্টে ভুগছে - ট্রাম্প
ইরান ‘নতুন কার্ড’ দেখাতে প্রস্তুত - গালিবাফ
লরি শাভেজ-ডেরেমার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে জল্পনার অবসান হলো
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক জ্বালানি দামের ঊর্ধ্বগতির চাপে ইন্দোনেশিয়াও পড়েছে
শান্তিরক্ষী নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ
উত্তর জাপানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে
‘মোহাম্মদ মাসুম-শাহি ও হামেদ ভ্যালিদির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
‘যুক্তরাষ্ট্র যদি অবরোধ না তোলে, তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অবশ্যই সীমিত করা হবে - গালিবাফ
রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন - জেলেনস্কি
নেতা আলি খামেনি স্মরণে ইরানে হাজারো মানুষ সমাবেশ
ইরান বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানে পৌঁছবে
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খোলা
আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা বর্তমানে পৃথিবীর পথে
নাসার বিশালাকার রকেটে চেপে তারা চন্দ্রকক্ষে যাত্রা শুরু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী’ হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি ব্যক্তিগত চিঠি দেশটির আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন
চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন চার নভোচারী
তিনজন ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে মিয়ানমারে
‘জাপানের প্রতিরোধ ও জবাব দেওয়ার সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ’
ইরান দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে
লাখো মানুষ ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ সমাবেশে জড়ো হয়েছেন
রাশিয়া যখন এই চুক্তিগুলোর বহু নীতি ও মূল্যবোধ লঙ্ঘন করছে, তখন প্রস্তাবনা কাউন্সিলে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়
ইরানকে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে - ট্রাম্প
মধ্যরাত থেকে ৬০টিরও বেশি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি সৌদি আরবের
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি সংযুক্ত আরব আমিরাতের
পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রকেট লঞ্চারের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া