লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল ০৪ জুন ২০২৬ ০৪:২৩ পি.এম
মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। প্রকৃতিই আমাদের জীবন, জীবিকা ও সভ্যতার ভিত্তি। নির্মল বায়ু, বিশুদ্ধ পানি, উর্বর মাটি, সবুজ বন এবং জীববৈচিত্র্য মানব সমাজের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। তবে, আধুনিক উন্নয়ন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন, বন উজাড়, প্লাস্টিকের অত্যধিক ব্যবহার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের নির্বিচার শোষণের কারণে পরিবেশ ও প্রকৃতি এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় আমাদের সতর্ক করছে যে, এখন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাওয়া কঠিন হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং প্রকৃতি রক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা। বর্তমানে প্লাস্টিক দূষণ, বায়ু দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রধান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
পরিবেশ দূষণ বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশে দ্রুত একটি গুরুতর সমস্যায় পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহর হিসেবে পরিচিত। যানবাহনের নির্গমন, নির্মাণকাজের ধূলিকণা, শিল্পবর্জ্য এবং অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা বায়ুর মান অবনতিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষিত বায়ু শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
একইভাবে, শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী এবং গৃহস্থালির আবর্জনার কারণে নদী, খাল ও জলাশয়গুলো ক্রমশ দূষিত হচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার মাটি ও পানির গুণমান হ্রাস করছে। বন উজাড় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত করছে এবং জীববৈচিত্র্যকে হুমকির মুখে ফেলছে।
পরিবেশগত অবক্ষয়ের আরেকটি উদ্বেগজনক পরিণতি হলো জলবায়ু পরিবর্তন। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে বাংলাদেশে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। উপকূলীয় জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্যতম। সুতরাং, পরিবেশ সুরক্ষা এখন আর শুধু প্রকৃতি রক্ষার বিষয় নয়; এটি মানব অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম।
পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ব শুধু সরকারের উপর বর্তায় না। প্রত্যেক নাগরিকেরই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা প্রত্যেকে যদি আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হই, তবে পরিবেশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
আমাদের আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। গাছ শুধু অক্সিজেনই সরবরাহ করে না, কার্বন ডাই অক্সাইডও শোষণ করে, যা পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী এবং বিশেষ অনুষ্ঠানে গাছ লাগানোর সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।
আমাদের প্লাস্টিকের উপর নির্ভরতাও কমাতে হবে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কেনাকাটার সময় প্লাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে কাপড় বা পাটের ব্যাগ ব্যবহার করা উচিত। প্লাস্টিকের বোতল, কাপ এবং প্যাকেজিং সামগ্রীর পরিবর্তে পরিবেশ-বান্ধব বিকল্প ব্যবহার করা উচিত।
পানি ও বিদ্যুৎ অপচয় করা উচিত নয়। ব্যবহার না করার সময় বাতি, পাখা এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখা উচিত। জল সংরক্ষণ এবং বৃষ্টির জল সংগ্রহের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা উচিত।
যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা উচিত নয়। বর্জ্যের সঠিক পৃথকীকরণ ও ব্যবস্থাপনা পুনর্ব্যবহারকে সহজ করে এবং পরিবেশের ক্ষতি কমায়। পরিবেশ সচেতনতার সূচনা অবশ্যই ঘর থেকেই হওয়া উচিত। শিশুদের অল্প বয়স থেকেই পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কে শেখানো উচিত। তাদের মধ্যে গাছের প্রতি ভালোবাসা, পশুপাখির প্রতি সহানুভূতি এবং পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
সম্প্রদায়-ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রম সংরক্ষণের প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ এবং সামাজিক সংগঠনগুলো পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতেও পরিবেশ-বান্ধব অভ্যাস গ্রহণ করা উচিত। অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার, শব্দ দূষণ এবং খাদ্য অপচয় কমানো উচিত। বিবাহ, মেলা এবং অন্যান্য জনসমাবেশে পরিবেশগত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
পরিবেশ-সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। স্কুল ও কলেজের পাঠ্যসূচিতে পরিবেশ শিক্ষাকে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। বৃক্ষরোপণ অভিযান, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বিতর্ক, রচনা প্রতিযোগিতা এবং পরিবেশ কর্মশালা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি সবুজ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হওয়া উচিত। শিক্ষার্থীরা যদি অল্প বয়স থেকেই পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল হয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্থায়িত্বের প্রতি আরও বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে।
পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতির ক্ষতি করে এমন কার্যকলাপ প্রতিরোধ করার জন্য পরিবেশ আইনের কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনে বাধ্য করা উচিত এবং দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। অবৈধ বন উজাড় অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং নতুন বনভূমি তৈরি করতে হবে। শহর ও গ্রাম উভয় এলাকায় পর্যাপ্ত সবুজ স্থান সংরক্ষণ করতে হবে। নদী দখল ও দূষণ প্রতিরোধের জন্যও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রচার অপরিহার্য। সৌর, বায়ু এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসের বৃহত্তর ব্যবহার জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে পারে।
শিল্প উন্নয়ন প্রয়োজন, তবে তা অবশ্যই পরিবেশগতভাবে টেকসই হতে হবে। কারখানাগুলোকে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন, নির্গমন নিয়ন্ত্রণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তির সমাধান গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশগত মান মেনে চলতে হবে।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংরক্ষণ এবং পরিবেশ সচেতনতা অভিযানের মতো সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে অবদান রাখতে পারে। সবুজ শিল্প নীতি বাস্তবায়ন এখন একটি জরুরি প্রয়োজন।
পরিবেশ সংরক্ষণে প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ডিজিটাল প্রযুক্তি কাগজের ব্যবহার কমাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে স্মার্ট সেচ ব্যবস্থা কৃষিক্ষেত্রে পানির অপচয় কমাতে পারে। পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিকে উৎসাহিত করা উচিত। তবে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ই-বর্জ্য তৈরি করে, যা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না হলে গুরুতর পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য জীববৈচিত্র্য অপরিহার্য। প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতি পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকি একটি প্রজাতির বিলুপ্তিও সমগ্র বাস্তুতন্ত্রকে ব্যাহত করতে পারে। তাই, বন্যপ্রাণী শিকার, বন উজাড় এবং বাসস্থান ধ্বংস অবশ্যই প্রতিরোধ করতে হবে। জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং সংরক্ষিত বনের সংখ্যা বাড়ানো উচিত। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রচেষ্টায় স্থানীয় সম্প্রদায়কে সক্রিয়ভাবে জড়িত করা উচিত। আজ, বিশ্বজুড়ে তরুণরা পরিবেশ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম, শিক্ষা এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা সচেতনতা বাড়াতে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে অনুপ্রাণিত করতে পারে।
তরুণদের পরিবেশবান্ধব জীবনধারা গ্রহণ করা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা, প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করা উচিত। তাদের উদ্যোগ সমাজে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আনতে পারে।
পরিবেশ এবং প্রকৃতি মানবজাতির অমূল্য সম্পদ। যদি আমরা উন্নয়নের নামে প্রকৃতিকে ধ্বংস করি, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই টেকসই হতে পারে না। একটি সুস্থ জীবন, একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ এবং একটি সমৃদ্ধ বিশ্ব নিশ্চিত করার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।
আজ, ব্যক্তি, পরিবার, সম্প্রদায়, সরকার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নদী ও বন রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারা গ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি সবুজতর ও অধিক বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে পারি।
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা করা আমাদের নৈতিক, সামাজিক এবং মানবিক দায়িত্ব। আসুন আমরা সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কর্তব্য পালন করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সবুজ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে একযোগে কাজ করি।
লেখক পরিচিতি: লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল
শিক্ষক, কবি, কলামিস্ট, সমাজকর্মী ও সংগঠক
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি), কেন্দ্রীয় কমিটি
যুগ্ম মহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (এনআইএসসিএইচএ), কেন্দ্রীয় কমিটি
৭০ কাকরাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ
ই-মেইল: lionganibabul@gmail.com
ফোন: +৮৮০১৫৫২৬৩১১১৮, +৮৮০১৮৪২৬৩১১১৮
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব
তামাক চাষে তিন ফসলী কৃষি জমি উর্বরতা হারাচ্ছে
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট।
সিন্ধু জলচুক্তি: শান্তির দলিল নাকি একতরফা ছাড়ের ইতিহাস?
তরুণদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে
অনাবৃষ্টি প্রখর তাপে মুগডাল চাষিরা বিপাকে কাঙ্ক্ষিত ফলন থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা
ঈদ: ফিরে আসার অনন্ত গল্প-কৃষিবিদ মোঃ আতিকুর রহমান
ভাষা আন্দোলন ও সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা
সাতক্ষীরায় লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে আগাম বোরো চাষ করছে কৃষক
যাদের স্বামী পাশে থেকেও নেই তাদের করনীয়
মাঘের শীতেই মুকুলে ভরেছে দিনাজপুরের আমগাছ
বিলুপ্তির পথে দিনাজপুরের শীতল মাটির ঘর
বাংলাদেশের আকাশছোঁয়া জলবায়ু ঋণ: সহনশীলতা ঝুঁকিতে, দারিদ্র্য বাড়ছে
সর্বজনীন ফর্মূলায় না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বাংলাদেশ
দূষিত পরিবেশে বিপন্ন দেশ রক্ষার এখনই সময়
আম ব্যবসায় সাফল্য: বড় উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন
সৌখিন কৃষি ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানবিক সেবা কাজে কুসুমপুর গ্রামবাসীর ভালোবাসায় শিক্ত ভেষজ বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ টিপু সুলতান পিএইচডি
প্রযুক্তিগত সুফল কৃষিতে জাগরণ সৃষ্টি করেছে
পথে প্রান্তরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে জারুল ফুল
হাওরে কান্দা কাটায় গোখাদ্য ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
দক্ষিনাঞ্চল থেকে হাড়িয়ে যাচ্ছে ফুটপাতে চুলকাটার ঐতিহ্য
জোসেফ মাহতাবের এক বহুমুখী সমাজ সংস্কারকের অন্যতম গল্প
শেরপুরের মাটি সূর্যমুখী চাষে বেশ উপযোগী
আমতলীতে আমের মুকুলের মৌমৌ গন্ধে দল বেঁধে মধু আহরনে ছুটছে মৌমাছি
আমতলী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বেত ও বেতফল
ভবেন্দ্র মোহন সাহা থেকে ভবা পাগলা হয়ে উঠার গল্প
দক্ষিনাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গানের পাখি দোয়েল