দিনাজপুর প্রতিনিধি : ৩১ জানু ২০২৬ ০৪:৫৯ পি.এম
প্রকৃতিতে এখনো মাঘের তীব্র দাপট। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় যখন জনজীবন বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে দিনাজপুরের আমগাছগুলোতে উঁকি দিতে শুরু করেছে সোনালি মুকুল। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আগাম আসা এই মুকুলের ম ম গন্ধে চারপাশ আমোদিত হচ্ছে। তবে আগাম মুকুলে যেমন আশার আলো দেখছেন বাগান মালিকরা, তেমনি ঘন কুয়াশা আর পচন রোগ নিয়ে কাটছে না তাদের শঙ্কা।
সরেজমিনে জেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাগান ঘুরে দেখা গেছে, দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে, শহরের মডার্ন মোড়, মোহনপুর ব্রিজ সংলগ্ন টোলপ্লাজা এলাকা, ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ এবং পার্বতীপুর উপজেলার বিভিন্ন বাগানে আগাম মুকুল শোভা পাচ্ছে। গাছে গাছে হলদেটে মুকুলের সমারোহ জানান দিচ্ছে আমের মৌসুম সমাগত।
মোহনপুর মোড় এলাকার আমগাছ মালিক আল আমিন জানান, তার ২০ বছর বয়সী গুটি জাতের একটি গাছে গত কয়েক বছর ধরেই আগাম মুকুল আসছে। তিনি বলেন, আগাম মুকুল দেখে মন ভালো হলেও ভয় একটাই ঘন কুয়াশা। কুয়াশা বেশি হলে পাউডারি মিলডিউ বা পচন রোগে মুকুল নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন রামপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের ইসমাইল ও আব্দুল আজিজ। তাদের মতে, প্রায় এক মাস আগে থেকেই অনেক গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে।
বসিরবানিয়া বড় মেড়েয়াপাড়া গ্রামের ‘দিনাজপুর আম বাগান এর মালিক আজিম উদ্দিন জানান, তার বাগানে প্রায় তিন হাজার আমগাছ রয়েছে। আগাম মুকুল আসার পর থেকেই তিনি গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা ও তদারকি শুরু করেছেন যাতে কোনো রোগবালাই আক্রমণ করতে না পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়াগত পরিবর্তন এবং নির্দিষ্ট কিছু জাতের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই মুকুল আসতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. আনিছুজ্জামান বলেন, প্রতি বছরই কিছু গাছে আগাম মুকুল আসে। ঘন কুয়াশার কবলে না পড়লে এসব গাছ থেকে আগেভাগে ফলন পাওয়া সম্ভব। তবে নিয়ম মেনে মাঘের শেষে যেসব মুকুল আসে, সেগুলোই সাধারণত বেশি স্থায়ী হয়।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং কুয়াশার প্রকোপ কমে আসে, তবে এবার জেলায় আমের বাম্পার ফলন হবে। এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা, মাঘের এই শীত পেরিয়ে মুকুলগুলো গুটিতে রূপ নেয় কি না, তা-ই দেখার বিষয়।
কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ির পাঁচ দশকের নির্বাচনী ইতিহাস; নেতৃত্বের সমীকরণের নেপথ্যের কাহিনী!
“আট মাস ধরে বাস বন্ধ, জয়পুরহাট–আক্কেলপুর যাতায়াতে ট্রেন-ইজিবাইকই ভরসা”
মানবতার অপর নাম জীবন চৌধুরী
৮০০ টাকা পূঁজি থেকে দুই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কেন্দুয়ার কামালের জীবন কথা
লাল সবুজের জন্ম : একটি পতাকার আত্মকথা
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব
তামাক চাষে তিন ফসলী কৃষি জমি উর্বরতা হারাচ্ছে
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট।
সিন্ধু জলচুক্তি: শান্তির দলিল নাকি একতরফা ছাড়ের ইতিহাস?
তরুণদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে
অনাবৃষ্টি প্রখর তাপে মুগডাল চাষিরা বিপাকে কাঙ্ক্ষিত ফলন থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা
ঈদ: ফিরে আসার অনন্ত গল্প-কৃষিবিদ মোঃ আতিকুর রহমান
ভাষা আন্দোলন ও সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা
সাতক্ষীরায় লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে আগাম বোরো চাষ করছে কৃষক
যাদের স্বামী পাশে থেকেও নেই তাদের করনীয়
মাঘের শীতেই মুকুলে ভরেছে দিনাজপুরের আমগাছ
বিলুপ্তির পথে দিনাজপুরের শীতল মাটির ঘর
বাংলাদেশের আকাশছোঁয়া জলবায়ু ঋণ: সহনশীলতা ঝুঁকিতে, দারিদ্র্য বাড়ছে
সর্বজনীন ফর্মূলায় না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বাংলাদেশ
দূষিত পরিবেশে বিপন্ন দেশ রক্ষার এখনই সময়
আম ব্যবসায় সাফল্য: বড় উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন
সৌখিন কৃষি ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানবিক সেবা কাজে কুসুমপুর গ্রামবাসীর ভালোবাসায় শিক্ত ভেষজ বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ টিপু সুলতান পিএইচডি
প্রযুক্তিগত সুফল কৃষিতে জাগরণ সৃষ্টি করেছে
পথে প্রান্তরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে জারুল ফুল
হাওরে কান্দা কাটায় গোখাদ্য ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
দক্ষিনাঞ্চল থেকে হাড়িয়ে যাচ্ছে ফুটপাতে চুলকাটার ঐতিহ্য
জোসেফ মাহতাবের এক বহুমুখী সমাজ সংস্কারকের অন্যতম গল্প
শেরপুরের মাটি সূর্যমুখী চাষে বেশ উপযোগী
আমতলীতে আমের মুকুলের মৌমৌ গন্ধে দল বেঁধে মধু আহরনে ছুটছে মৌমাছি