ঢাকা খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
অপরাধ

বদলি ঠেকিয়ে টেন্ডার সাম্রাজ্য! নরসিংদীতে মনসুর সিন্ডিকেটের দাপট

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৭ মে ২০২৬ ০৮:০৩ পি.এম

নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালকে ঘিরে এক তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা প্রভাব, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, স্বজনের নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার, সরকারি বদলির আদেশ অমান্য এবং অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের বিস্তর অভিযোগ।

এখন স্বাস্থ্য খাতের আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি মুনসুর আহমেদ- যিনি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলেও, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পরিধি এখন বহু জেলা জুড়ে বিস্তৃত।

গত ৩০ এপ্রিল জাতীয় দৈনিকে “নরসিংদী সদর হাসপাতালের এক মনসুরের এত দাপট শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের নজরে আসে। এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২১ এপ্রিল জারি হওয়া তার বদলির আদেশ পুনর্বহাল করতে বাধ্য হয়।

বদলির আদেশ, অমান্য ও পুনর্বহাল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের এক আদেশে মুনসুর আহমেদকে নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে তিন দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি আদেশ অমান্য করে বিভিন্ন মহলে তদবির চালিয়ে ২৬ এপ্রিল আরেক আদেশে সেই বদলি বাতিল করাতে সক্ষম হন এবং আগের কর্মস্থলেই বহাল

থাকেন। পরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পূর্বের বদলির আদেশ পুনর্বহাল করে।

প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর পক্ষে সরকারি বদলির আদেশ বাতিল করিয়ে পুনরায় নিজ কর্মস্থলে বহাল থাকা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্যও গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

চাকরি সরকারি, ব্যবসা স্ত্রীর নামে: সংঘাতের কেন্দ্রে ‘তাহিরা এন্টারপ্রাইজ

মুনসুর আহমেদ ১৯৯৪ সালে নরসিংদী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিম্নমান সহকারী হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। ২০২১ সাল পর্যন্ত সেখানেই কর্মরত ছিলেন। পরে ৮ আগস্ট ২০২১ নরসিংদী সদর হাসপাতালে যোগদান করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে থেকে তিনি নিজের স্ত্রী হুরে জান্নাত স্বপ্নার নামে মেসার্স তাহিরা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন ক্রয়কাজ নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র বলছে, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ব্যবসায়িক স্বার্থে জড়িত থাকতে পারেন না। স্ত্রী বা নিকট আত্মীয়ের নামে ব্যবসা পরিচালনা করে নিজ কর্মস্থল বা অধীন প্রতিষ্ঠানে কাজ নেওয়া কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বা স্বার্থের সংঘাতের সুস্পষ্ট উদাহরণ।

ভুয়া ডকুমেন্টে কোটি টাকার কার্যাদেশ?

অভিযোগে বলা হয়েছে, রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০২০২১ ও ২০২১২২ অর্থবছরে তাহিরা এন্টারপ্রাইজ মোট ১ কোটি ৩ লাখ ২৯ হাজার ২০৫ টাকার এমএসআর (Medical Surgical Requisites) সরবরাহ কাজ পায়।

কিন্তু এমএসআর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রাগ লাইসেন্স, চেম্বার অব কমার্স সদস্যপদ ও অভিজ্ঞতার কাগজপত্র বৈধ ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলোচেম্বার অব কমার্সের যে সদস্য নম্বর (এ-৪০৪৩) ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি প্রকৃতপক্ষে রায়পুরা বাজারের “ভুইয়া টেলিকম-এর মালিক সুমন ভুইয়ার নামে নিবন্ধিত। অর্থাৎ, অন্য প্রতিষ্ঠানের সদস্য নম্বর ব্যবহার করে সরকারি কাজ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

যদি অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে তা দণ্ডবিধি, জালিয়াতি এবং সরকারি ক্রয়বিধি (PPR) লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজের কর্মস্থলে নিজের প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি!

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ২০২১ সালে নরসিংদী সদর হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে হাসপাতালের কোটেশন, ভাউচারভিত্তিক ক্রয়, ধোলাই, স্টেশনারি, রোগীর খাদ্য ও পথ্য সরবরাহ, এমনকি মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহের মতো একাধিক খাতের কাজ “মেসার্স তাহিরা এন্টারপ্রাইজ-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

নরসিংদী সদর হাসপাতাল ছাড়াও পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদ্য, পথ্য, ধোলাই, স্টেশনারি ও লিনেন সরবরাহের কাজেও একই প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ২০২৫২৬ অর্থবছরে নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের খাদ্য, ঔষধ, মেডিকেল যন্ত্রপাতি, রিএজেন্ট ও আসবাবপত্র সরবরাহেও তাহিরা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

১২ জেলায় বিস্তৃত প্রভাব

অভিযোগে বলা হয়েছে, তাহিরা এন্টারপ্রাইজ বর্তমানে খুলনা, কিশোরগঞ্জ, গাইবান্ধা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, ঢাকা, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লাসহ অন্তত ১২ জেলায় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ই-জিপি (e-GP) পোর্টালের কার্যাদেশের তালিকা দিয়েই এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন।

শ্বশুরবাড়ির ঠিকানায় লাইসেন্স, নেই কোনো ফার্মেসি

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাহিরা এন্টারপ্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স ও টিন সার্টিফিকেটে মুনসুর আহমেদের নিজ বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার না করে শ্বশুরবাড়ির ঠিকানা- ১৮৯/১, বিলাসদী, নরসিংদী ব্যবহার করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঠিকানায় কোনো ফার্মেসিই নেই, অথচ ড্রাগ লাইসেন্সে সেটিকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখানো হয়েছে। আরও অভিযোগ, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও কাগজপত্রে স্বামীর নাম গোপন রেখে পিতার নাম ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে সম্পর্ক আড়াল করা যায়।

তবে আয়কর রিটার্নে হুরে জান্নাত স্বপ্নার স্বামী হিসেবে মুনসুর আহমেদের নাম উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে।

আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ?

অভিযোগে বলা হয়েছে, নরসিংদীর ভেলানগরে মুনসুর আহমেদের ৫ তলা বাড়ির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। এছাড়া ২০২৩ সালে তিনি ও তার স্ত্রী প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বিদেশ ভ্রমন করেন এবং ২০২৪ সালে এককালীন ২১ লাখ ২৪ হাজার টাকা দিয়ে ছেলেকে ঢাকার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান।

প্রশ্ন উঠেছে- একজন তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর বৈধ আয়ে এসব ব্যয় ও সম্পদের উৎস কী? দুদকের সাবেক কর্মকর্তাদের মতে, এখানে মানিলন্ডারিং, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্তের যথেষ্ট উপাদান রয়েছে।

সিন্ডিকেট অভিযোগ: ইলেক্ট্রো সাইন্স ও এমএইচ এন্টারপ্রাইজ

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, “ইলেক্ট্রো সাইন্স এবং “এমএইচ এন্টারপ্রাইজ নামের আরও দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও মুনসুর আহমেদের অলিখিত অংশীদারিত্ব রয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যখাতে এমএসআর সরবরাহ করে, অন্যটি দীর্ঘদিন ধরে আউটসোর্সিং

কাজ করছে। তিনটি প্রতিষ্ঠান মিলে নরসিংদীর স্বাস্থ্যখাতে টেন্ডার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ২০১৮ সালেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের লিখিত অভিযোগ ছিল বলে জানা গেছে।

নতুন সিভিল সার্জনকেও ঘিরে প্রশ্ন

অভিযোগ উঠেছে, নরসিংদী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক পদ শূন্য থাকার সুযোগে সদ্য যোগদান করা সিভিল সার্জন একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে, মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে এক বিশেষ ঠিকাদারকে সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে নরসিংদীতে বদলি হয়ে আসেন তিনি। ওই ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্রে এমন শর্ত আরোপ করা হয়েছে, যা পিপিআর-২০২৫ পরিপন্থী এবং প্রতিযোগিতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

টেন্ডার নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নরসিংদী সদর হাসপাতালের ২০২৫২৬ অর্থবছরের এমএসআর সামগ্রী ক্রয়ের জন্য প্রকাশিত ই-টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দরপত্রের শর্ত এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ছাড়া অন্য কেউ অংশ নিতে না পারে।

এ ঘটনায় এক ঠিকাদার হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ গত রোববার রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- প্রকাশিত ই- টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

আইনজীবীদের মতে, আদালতের এই রুল সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

দুদকের তদন্ত এখন সময়ের দাবি

স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগগুলোর ধরন বিচ্ছিন্ন নয়; বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি সংঘবদ্ধ দুর্নীতিচক্রের ইঙ্গিত দেয়। একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী কীভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করেন, কীভাবে বদলির আদেশ বাতিল করান, কীভাবে একই সঙ্গে সরকারি চাকরি ও ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করেন- এসব প্রশ্নের উত্তর এখন জরুরি।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে-

 সরকারি চাকরির আড়ালে স্বজনের নামে ব্যবসা পরিচালনা

 ভুয়া লাইসেন্স ও সদস্যপদ ব্যবহার

 সরকারি ক্রয়ে স্বার্থের সংঘাত

 টেন্ডার সিন্ডিকেট

 জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন

 বদলির আদেশ অমান্য

 পিপিআর লঙ্ঘন করে দরপত্র প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন প্রয়োজন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিআইডি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত তদন্ত। কারণ, তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসতে পারে স্বাস্থ্যখাতের অন্তরালে গড়ে ওঠা এক বিস্তৃত দুর্নীতির নেটওয়ার্ক।

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ভুল রিপোর্টে বিপাকে রোগীরা

news image

বদলি ঠেকিয়ে টেন্ডার সাম্রাজ্য! নরসিংদীতে মনসুর সিন্ডিকেটের দাপট

news image

পিরোজপুরে চাচাকে পিতা সাজিয়ে ভূমিদস্যু মানসুরের জাল-জালিয়াতি

news image

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে অনিয়ম কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ

news image

দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার নামে চলে ভূয়া ঔষধ প্রেসক্রিপশন

news image

নানা অব্যবস্থাপনা ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে, সিন্ডিকেটের কবলে রাজস্ব ও যাত্রীসেবা

news image

সেতাবগঞ্জে ঋণ নিয়ে বিরোধ তুঙ্গে: ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিলেন পাওনাদার

news image

হাকিমপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

news image

গৌরীপুরে গরুর হাটে প্রশাসনের ‘নিকু’ বাণিজ্য, রাজস্ব ফাঁকি ৪০ লাখ

news image

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে টিআর-কাবিখা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

news image

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার, ১৮ জন আটক

news image

রেলওয়ের সম্পদ দখল ও দীর্ঘস্থায়ী বদলি জট : দিনাজপুরে গণশুনানিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

news image

লালমনিরহাট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের রিপোর্টে ধ্রুমজাল একবছরে ২৫ লক্ষ, চারবছরে ১৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

news image

লালমনিরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে কু-প্রস্তাব সহ অর্থ আদায়ের অভিযোগ

news image

লালমনিরহাটে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে

news image

বিএনপির কার্যালয়ের সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে প্রবাসীর জমি দখল

news image

বদলি ঠেকিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া জেলা পরিষদ কর্মচারী সাইফুল

news image

জুলাই আন্দোলনে হামলাকারী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তা সুকেশ কুমার বহাল তবিয়তে!

news image

যশোর বিমান বন্দরে নিলামের নামে তুঘলকি কান্ড

news image

সাতক্ষীরায় সাংবাদিক পরিচয়ে আলামিনের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ  কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যবসায়ী 

news image

ডিএনসিসিতে ত্রিরত্নসহ এখনও বহাল তবিয়তে

news image

অপরাধ ডাকতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ 

news image

ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সার্ভেয়ার আসাদ, ঘুরে ফিরে বার বার একই জায়গায়

news image

ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূনীতির অভিযোগ 

news image

সাতক্ষীরা ভোমরা সীমান্তে শীর্ষ  মাদক সম্রাট হালিম মাষ্টার বেপরোয়া --

news image

রাজবাড়ীতে ফ্রি লান্সিং এর নামে লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ

news image

বাখরাবাদ গ্যাস অফিসে ইমাম নিয়োগে অনিয়ম, কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে চলছে ইমামতি!

news image

ব্যবসা গুটিয়ে দেশত্যাগের চেষ্টায় চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা হারুন

news image

অর্থের বিনিময়ে মামলার ভিন্ন মোর , জোর করে মামলায় স্বাক্ষর করান ওসি- মামলার বাদী কালাম মোল্লা

news image

“জনগণের টাকা দিয়ে খেলছে গভর্নর মনসুর! ২৬ হাজার কোটি ছাপিয়ে ধ্বংস করলেন অর্থনীতি, এবার জবাব চাই”