মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েল, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি ১২ সেপ্টেম্বার ২০২৬ ০৩:২৭ পি.এম
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা সদরসংলগ্ন ১০ নং কান্দিউড়া ইউনিয়ন শুধু ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, দীর্ঘ পাঁচ দশকের নেতৃত্বের পালাবদলও ইউনিয়নটির রাজনৈতিক ইতিহাসকে করেছে বৈচিত্র্যময়। কখনো নির্বাচিত চেয়ারম্যান, কখনো ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব, আবার কখনো দলীয় প্রতীকের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়—সব মিলিয়ে কান্দিউড়ার নির্বাচনী ইতিহাসে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও স্থানীয় ভোটের সমীকরণ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সামনে আবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, যেখানে দলীয় প্রতীক থাকছে না। ফলে অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সামাজিক অবস্থান ও নিজস্ব ভোটব্যাংকই এবার বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যেও কান্দিউড়া সমৃদ্ধ। সারি সারি ফসলের ক্ষেত, ছোট নদী-খাল, সাঁকো, সুতি সাইডুলি ও পাটকুড়া নদীর মোহনা এবং গোগবাজারসংলগ্ন মনোরম পরিবেশ এ ইউনিয়নের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যানুযায়ী প্রায় ১৭ দশমিক ৩২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ইউনিয়নটিতে ২৩টি গ্রাম ও ১৮টি মৌজা রয়েছে। জনসংখ্যা ২১ হাজার ৫৪৫ জন। শিক্ষার হার ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ। প্রাচীন কবি কঙ্কের জন্মস্থান, খোজার দিঘি ও গোগবাজারের ত্রিবেণী ঘাটসহ রয়েছে ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান।
১৯৭২ সালে সদর উদ্দিন সরকার (বেজগাতি কুন্ডুলী)-এর মাধ্যমে কান্দিউড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের যে ধারাবাহিকতা শুরু হয়, তা পরবর্তী পাঁচ দশকে একাধিকবার নেতৃত্বের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ১৯৭৩ সালে খুরশেদ উদ্দিন ভূঞা (বাদে আঠারবাড়ী), ১৯৭৪ সালে শামছুদ্দিন ভূঞা (ব্রাহ্মনজাত), ১৯৭৭ সালে সৈয়দ মাজহারুল হক (টেংগুরী আমলীতলা) এবং ১৯৮৩ সালে আবু সাদেক ভূঞা (দিগদাইর) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। আবু সাদেক ভূঞা পরপর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯২ সালে মো. আব্দুল হক ভূঞা (কান্দিউড়া) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে দায়িত্বে আসেন মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঞা (দিগদাইর)। এরপর ১৯৯৯ সালে মো. কাঞ্চন মিয়া (তারাকান্দিয়া) এবং ২০০০ সালে মো. মোসলেম উদ্দিন (বেজগাতি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনী হালচাল বিবেচনায় কান্দিউড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় ২০০৩ সালে। ওই সময় মো. আবুল কালাম আজাদ (তেতুলিয়া) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর কার্যকাল ছিল ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত। তবে তাঁর দায়িত্বকালের মাঝামাঝি সময়ে মো. মিজানুর রহমান (তারাকান্দিয়া) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ০৯/০৫/২০০৪ থেকে ২৫/০৬/২০০৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর মো. আবুল কালাম আজাদ পুনরায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর মেয়াদ ২০১১ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
২০১১ সালের নির্বাচনে আনোয়ারুল হক তালুকদার কনক (তারাকান্দিয়া) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর মেয়াদ ছিল ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। এরপর ২০১৬ সালের দলীয় প্রতীকের নির্বাচনে মো. শহীদুল্লাহ কায়সার (বেজগাতি কুন্ডুলী) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচন কেন্দুয়ার ইউনিয়ন পরিষদ রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ দলীয় প্রতীক চালুর পরও সব ইউনিয়নে দলীয় মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হতে পারেননি; বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পান।
কেন্দুয়া উপজেলার ১৩ ইউপির দুই দশকের নির্বাচনী হালচাল
কেন্দুয়ার সদরঘেঁষা কান্দিউড়া ইউপির ৫০ বছরের নেতৃত্বের পালাবদল; সামনে প্রতীকবিহীন নির্বাচন
কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ির পাঁচ দশকের নির্বাচনী ইতিহাস; নেতৃত্বের সমীকরণের নেপথ্যের কাহিনী!
“আট মাস ধরে বাস বন্ধ, জয়পুরহাট–আক্কেলপুর যাতায়াতে ট্রেন-ইজিবাইকই ভরসা”
মানবতার অপর নাম জীবন চৌধুরী
৮০০ টাকা পূঁজি থেকে দুই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কেন্দুয়ার কামালের জীবন কথা
লাল সবুজের জন্ম : একটি পতাকার আত্মকথা
পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব
তামাক চাষে তিন ফসলী কৃষি জমি উর্বরতা হারাচ্ছে
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট।
সিন্ধু জলচুক্তি: শান্তির দলিল নাকি একতরফা ছাড়ের ইতিহাস?
তরুণদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে
অনাবৃষ্টি প্রখর তাপে মুগডাল চাষিরা বিপাকে কাঙ্ক্ষিত ফলন থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা
ঈদ: ফিরে আসার অনন্ত গল্প-কৃষিবিদ মোঃ আতিকুর রহমান
ভাষা আন্দোলন ও সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের প্রয়োজনীয়তা
সাতক্ষীরায় লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে আগাম বোরো চাষ করছে কৃষক
যাদের স্বামী পাশে থেকেও নেই তাদের করনীয়
মাঘের শীতেই মুকুলে ভরেছে দিনাজপুরের আমগাছ
বিলুপ্তির পথে দিনাজপুরের শীতল মাটির ঘর
বাংলাদেশের আকাশছোঁয়া জলবায়ু ঋণ: সহনশীলতা ঝুঁকিতে, দারিদ্র্য বাড়ছে
সর্বজনীন ফর্মূলায় না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বাংলাদেশ
দূষিত পরিবেশে বিপন্ন দেশ রক্ষার এখনই সময়
আম ব্যবসায় সাফল্য: বড় উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন
সৌখিন কৃষি ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানবিক সেবা কাজে কুসুমপুর গ্রামবাসীর ভালোবাসায় শিক্ত ভেষজ বিজ্ঞানী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ টিপু সুলতান পিএইচডি
প্রযুক্তিগত সুফল কৃষিতে জাগরণ সৃষ্টি করেছে
পথে প্রান্তরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে জারুল ফুল
হাওরে কান্দা কাটায় গোখাদ্য ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
দক্ষিনাঞ্চল থেকে হাড়িয়ে যাচ্ছে ফুটপাতে চুলকাটার ঐতিহ্য
জোসেফ মাহতাবের এক বহুমুখী সমাজ সংস্কারকের অন্যতম গল্প